বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন কী এবং কারণ ও প্রতিকার

জীবন যাপন আগস্ট ৬, ২০২৩, ০৯:৫৬ পিএম
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন কী এবং কারণ ও প্রতিকার
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বলতে বোঝায় যে অবস্থায় একজন পুরুষ যৌন মিলনের জন্য যথেষ্ট সময় ধরে লিঙ্গের দৃঢ়তা ধরে রাখতে পারে না বা যৌনমিলনের সময় লিঙ্গ দৃঢ় হয় না। ইরেক্টাইল ডিসফাংশন যৌনকামনা স্বল্পতার সমস্যাটির থেকে আলাদা এই অর্থে যে একজন পুরুষ সুস্থ যৌন কামনার অধিকারী হয়েও ইরেক্টাইল ডিসফাংশনে ভুগতে পারেন যা তাকে সফল যৌনমিলনের ক্ষেত্রে বাধা দেয়। এটি সব বয়সের পুরুষদের প্রভাবিত করতে পারে তবে বয়সের সাথে সাথে আপনার মধ্যে এই রোগ বিকাশের সম্ভাবনা কমে যায়।

ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের কারণসমূহ

অসংখ্য কারণ এই অবস্থার জন্য দায়ী হতে পারে। যথা:

  1. বদ্ধ ধমনী
  2. হৃদরোগ
  3. অ্যাট্রিয়াল ফ্লাটার
  4. রক্তে উচ্চ শর্করা
  5. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
  6. উচ্চ রক্তচাপ
  7. মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ

এগুলো ছাড়াও জীবনশৈলী ও ব্যক্তিবিশেষের পছন্দ যেমন অ্যালকোহল সেবন এবং নিকোটিনে অত্যধিক আসক্তিও ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের কারণ হতে পারে।

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রিং

পুরুষদের লিঙ্গের ধমনী শিথিল হলে এবং যৌন উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া হিসাবে ধমনী দিয়ে বেশি  রক্ত ​​​​প্রবাহিত হলে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থান হয়,  যখন এর সঙ্গে শিরাগুলি একই স্থানে রক্ত ​​ধরে রাখার জন্য সংকুচিত হয় ও এর ফলে লিঙ্গ উত্থিত এবং দৃঢ় হয়ে দাঁড়ায়। ইডি আক্রান্ত পুরুষদের ক্ষেত্রে, এই পদ্ধতিটি একইভাবে ঘটে না ফলে যৌন উত্তেজনা সত্ত্বেও তাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না বা লিঙ্গের দৃঢ়তা বজায় রাখতে অসুবিধা হয়।

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন রিংগুলি যেগুলি কনস্ট্রিকটিভ পেনাইল ব্যান্ড হিসাবেও পরিচিত এগুলি সাধারণত রাবার, সিলিকন, প্লাস্টিক বা এই জাতীয় নমনীয় উপাদান দিয়ে তৈরি হয় এবং বিশেষ কিছু প্রকার রিং ধাতু দিয়েও তৈরি হয়। রিংটি লিঙ্গের নীচে স্থাপন করা হয়, যা সেই স্থানে রক্তনালীকে সংকুচিত করে লিঙ্গ থেকে রক্ত ​​প্রবাহ বেরিয়ে যেতে বাধা দিয়ে লিঙ্গের দৃঢ়তা বজায় রাখে। এটি তাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যাদের লিঙ্গের আংশিক উত্থান ঘটে থাকে অন্যথায় এটি একটি ভ্যাকুম পাম্পের সাথে সংযুক্ত করা প্রয়োজন যা লিঙ্গে রক্ত ​​​​সঞ্চালনের গতির বৃদ্ধি ঘটাবে।

সতর্কতা

সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ব্যবহার করলে ইডি রিংগুলি সাধারণত অতি অল্প মাত্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা কোনোরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও নিরাপদ।

২০ মিনিটের বেশি একটানা রিংটি পরে থাকবেন না।

আপনার রক্ত ​​জমাট বাঁধা বা রক্তাল্পতার রোগ পূর্বে হয়ে থাকে তবে ইডি রিং ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

যদি আপনি রিং ব্যবহার করার সময় জ্বালা বা অসাড়তা বা অন্য কোন অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে লিঙ্গে স্বাভাবিক রক্ত ​​​​প্রবাহ পুনরায় শুরু করতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি খুলে ফেলুন।

যদিও ইডি রিং সুস্থ পুরুষদের ইরেকশন বজায় রাখার জন্যও একটি ভাল প্রতিকার, তবে এটির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে জানতে অথবা আপনার যেকোন প্রশ্ন বা উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনার জন্য আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।

Side banner