রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১

পিআরএল (PRL) ও এলপিআর (LPR) এর মধ্যে পার্থক্য

জীবন যাপন | উজ্জল প্রধান আগস্ট ৮, ২০২৩, ০৩:৩৬ পিএম
পিআরএল (PRL) ও এলপিআর (LPR) এর মধ্যে পার্থক্য

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং অতি পরিচিত দু’টি শব্ত হচ্ছে পিআরএল (PRL) ও এলপিআর (LPR)। অনেকেই এই দু’টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানেন না। এবার আশা করি জেনে যাবেন।

PRL=Post Retirement Leave (অবসর-উত্তর ছুটি) যা বর্তমানে প্রচলিত।

পূর্বে এক বছর ছুটি ভোগের পর একজন সরকারি কর্মচারী পূর্ণ অবসর গ্রহণ করতেন আর বর্তমানে একজন সরকারি কর্মচারী অবসর গ্রহণের পর ০১ (এক) বছর ছুটি ভোগ করেন।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের রিটার্ণ দাখিল নিয়ে যে তথ্যগুলো জেনে রাখা দরকার

LPR থেকে পুনরায় চাকরীতে ব্যাক করার সুযোগ ছিল, কারন LPR অর্থ অবসর নয়, যার সুযোগ কেউ কেউ নিয়েছিল৷ কারন অবসর নেয়ার জন্য সেটা ছিল প্রস্তুতি পর্ব কিন্তু এখন সেই প্রস্তুতি সময় বাতিল করে, নাম দেয়া হয়েছে PRL, যেখান থেকে কোন কায়দা কানুন করেও আর চাকরীতে পূনরায় ফেরার সুযোগ নেই।

LPR = Leave Preparatory Retirement (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি): পূর্বে এটি প্রচলিত ছিলো যা এখন দ্বিতীয়টিতে রুপান্তর করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ছুটি জমা থাকা স্বাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১ বছর ছুটি ও অবশিষ্ট ছুটির সর্বোচ্চ ১ বছর নগদায়নের সুযোগ ছিলো। এ পদ্ধতিতে এলপিআররত সময়ে অন্য কোন সরকারি চাকুরিতে যোগদানের/চুক্তিভিত্বিক পদায়নের সুযোগ ছিলো না।

PRL = Post Retirement Leave (অবসরোত্তর ছুটি): এটি বর্তমানে চালু রয়েছে। এ পদ্ধতিতে ছুটি জমা থাকা স্বাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১ বছরের ছুটি এবং সর্বোচ্চ ১৮ মাসের নগদায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। তাছাড়াও পিআরএল অবস্থায় অন্য যে কোন চাকুরিতে যোগদান বা সরকারি কোন পদে চুক্তিভিত্বিক পদায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে চুক্তিভিত্বিক নিয়োগে ছুটি বাতিল স্বাপেক্ষে যোগদান করতে হয়। উভয় ক্ষেত্রে ছুটি বলতে অর্জিত ছুটি বোঝানো হয়েছে।

১২ মাস মুল বেতন, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা পাবেন। যদি শিক্ষা ভাতা চালু থাকবে তাও পাবেন। আর ১৮ মাসের মুল বেতন এর সমপরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা যায়।

পিআরএল এর সুবিধা হচ্ছে, আপনি পিআরএল চলাকালীন সময়ে অন্য চাকুরি ও তা হতে বেতনভাতা গ্রহণ করতে পারবেন, এমনকি ব্যবসাও করতে পারবেন। এলপিআর এ পারতো না।

পিআরএল সময়ে বেসরকারি পাসপোর্ট গ্রহণ করা যায়। এলপিআর সময়ে যেত না।

Side banner